<?xml version="1.0" encoding="utf-8" ?><transcript><text start="8.86" dur="3.6">কোষ হচ্ছে জীবনের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক।</text><text start="13.8" dur="2.639">প্রতিটা কোষেই তিনটি সাধারণ জিনিস থাকে।</text><text start="16.439" dur="2.12">তারা যে ধরনের কোষই হোক না কেন।</text><text start="19.22" dur="5.78">একটি কোষঝিল্লি, যা বাইরের পরিবেশকে কোষকে
পৃথক করে রাখে।</text><text start="26.04" dur="2.96">সাইটোপ্লাজম, জেলির মত দেখতে এক তরল,</text><text start="29.4" dur="3.2">আর ডিএনএ,
কোষের জিনগত উপাদান।</text><text start="35.2" dur="2.58">কোষকে প্রধানত দু ভাগে ভাগ করা যায়,</text><text start="39.48" dur="3.52">প্রথমে আসে সুকেন্দ্রিক কোষের কথা।</text><text start="43.1" dur="1.69">তাদের অঙ্গের ভেতর</text><text start="44.79" dur="3.2">নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য বিশেষ অঙ্গাণু আছে।</text><text start="49.2" dur="3.52">সুকেন্দ্রিক কোষ উন্নত আর জটিল গঠনের কোষ</text><text start="52.72" dur="2.68">যাদেরকে প্রাণী এবং উদ্ভিদে পাওয়া যায়।</text><text start="57.31" dur="3.63">২য় ক্যাটাগরিতে আছে প্রাককেন্দ্রিক কোষ।</text><text start="60.94" dur="3.84">এদের নিউক্লিয়াস,  কিংবা ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু থাকে না।</text><text start="64.78" dur="4.78">তাদেরও জিনগত উপাদান আছে,
কিন্তু তা নিউক্লিয়াসের ভেতর থাকে না।</text><text start="69.98" dur="3.1">প্রাককেন্দ্রিক কোষ সবসময়ই এককোষী,</text><text start="73.09" dur="3.44">কিংবা একদল এককোষী জীব, যেমন ব্যাকটেরিয়া।</text><text start="80.28" dur="1.88">অঙ্গাণু বলতে আমরা কী বুঝি?</text><text start="82.7" dur="2.3">অঙ্গাণু মানে, &amp;quot;ক্ষুদ্র অঙ্গ&amp;quot;।</text><text start="86.48" dur="5.22">তারা কোষের একেকটি বিশেষায়িত অংশ,
যাদের নির্দিষ্ট কাজ থাকে।</text><text start="92.86" dur="4.1">চলুন, প্রথমে নিউক্লিয়াস নিয়ে কথা বলি,
যাকে বলা হয় কোষের প্রাণকেন্দ্র।</text><text start="98.67" dur="3.9">নিউক্লিয়াসে থাকে DNA, কোষের জিনগত উপাদান।</text><text start="103.18" dur="2.88">DNA ই জানিয়ে দেয়, কোষ কী করবে</text><text start="106.06" dur="2.1">আর তা কীভাবে করবে।</text><text start="108.68" dur="5.259">ক্রোমাটিন হচ্ছে DNA এর ছড়িয়ে থাকা, জমাটবদ্ধ আক...</text><text start="116.38" dur="1.96">যখন একটি কোষ,
বিভাজনের জন্য প্রস্তুত হয়</text><text start="118.34" dur="4.16">DNA ঘন হয়ে ক্রোমোজোমের আকার ধারণ করে।</text><text start="126.9" dur="3.2">নিউক্লিয়াসে নিউক্লিওলাস নামেও অংশ থাকে।</text><text start="130.82" dur="2.64">যেখানে রাইবোজোম প্রস্তুত হয়।</text><text start="136.36" dur="2.78">রাইবোজোমগুলো নিউক্লিয়াস থেকে মুক্ত হয়ে গেলে</text><text start="139.14" dur="2.74">তারা এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে, যার নাম,</text><text start="141.88" dur="2.32">&amp;quot;প্রোটিন তৈর...</text><text start="147.87" dur="4.04">নিউক্লিয়াসের বাইরেই রাইবোজোম আর অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে</text><text start="151.91" dur="3.85">যারা জেলিময় তরল সাইটোপ্লাজমে ভাসমান থাকে।</text><text start="158" dur="3.7">রাইবোজোম, সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে ঘুরতেও পারে</text><text start="162.34" dur="5.74">এবার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম বা সংক্ষেপে ER এর সাথে যুক্তও থাকতে পারে।</text><text start="168.68" dur="2">ER দু ধরনের:</text><text start="170.68" dur="3.47">অমসৃণ ER এর সাথে রাইবোজোম যুক্ত থাকে।</text><text start="174.15" dur="3.93">আর মসৃণ ER এর সাথে রাইবোজোম যুক্ত থাকে না।</text><text start="180.04" dur="2.5">এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা</text><text start="182.55" dur="3.78">বিভিন্ন পদার্থ, যেমন রাইবোজোম এর তৈরি প্রোটিন পরিবহনের একটা ঝিল্লিবদ্ধ গতিপথ।</text><text start="186.33" dur="3.21">বিভিন্ন পদার্থ, যেমন রাইবোজোম এর তৈরি প্রোটিন পরিবহনের একটা ঝিল্লিবদ্ধ গতিপথ।</text><text start="192.1" dur="2">প্রোটিন এবং অন্যান্য পদার্থ</text><text start="194.1" dur="2.75">এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা থেকে তৈরি হয়ে</text><text start="196.85" dur="1.76">এরা ছোট ফোস্কা আকারে বের হয়</text><text start="200.15" dur="3.66">যেটি গলজি বস্তু কিংবা গলজি তন্ত্র</text><text start="203.81" dur="1.66">গ্রহণ করে।</text><text start="206.959" dur="4.051">উৎপন্ন প্রোটিন গলজি বস্তু দিয়ে চলাচলের সময় তা কোষের ব্যবহার উপযোগী অবস্থা প্রাপ্ত হয়।</text><text start="211.01" dur="2.2">উৎপন্ন প্রোটিন গলজি বস্তু দিয়ে চলাচলের সময় তা কোষের ব্যবহার উপযোগী অবস্থা প্রাপ্ত হয়।</text><text start="215.87" dur="4.36">গলজি বস্তু প্রোটিনগুলোকে ভাঁজ করে 
সুবিধাজনক আকারে নিয়ে নেয়।</text><text start="220.23" dur="3.32">অনেকসময় এজন্য অন্য উপাদানও যুক্ত করে থাকে,</text><text start="223.55" dur="1.2">যেমন লিপিড,</text><text start="225.7" dur="1.44">অথবা শর্করা</text><text start="230.22" dur="4.08">ভ্যাকুওল হলো বিভিন্ন উপাদানবাহী 
বস্তা সদৃশ কাঠামো।</text><text start="234.95" dur="4.2">উদ্ভিদ কোষের কেন্দ্রীয় ভ্যাকুওল পানি ধারণ করে।</text><text start="243.16" dur="1.98">আবার প্রাণীকোষের ক্ষেত্রে দেখবে</text><text start="245.14" dur="3.04">লাইসোজোম নামক একটা অঙ্গাণু।</text><text start="248.7" dur="2.7">লাইসোজোম হলো বর্জ্য সংগ্রাহক,</text><text start="251.4" dur="2.96">যারা ক্ষতিগ্রস্থ কিংবা জীর্ণ কোষের অংশ ধারণ করে।</text><text start="255.09" dur="4.35">তাদের ভেতরকার এনজাইম,
কোষের ধ্বংসাবশেষ ভাঙতে সাহায্য করে।</text><text start="260.86" dur="4.04">মাইটোকন্ড্রিয়ন হলো প্রাণী ও উদ্ভিদকোষের শক্তিকেন্দ্র</text><text start="264.91" dur="1.8">মাইটোকন্ড্রিয়ন হলো প্রাণী ও উদ্ভিদকোষের শক্তিকেন্দ্র</text><text start="268.33" dur="3.26">কোষীয় শ্বসন নামক প্রক্রিয়ার সময়</text><text start="271.59" dur="3.03">মাইটোকন্ড্রিয়া ATP অণু তৈরি করে,</text><text start="274.62" dur="3.32">যা সকল কোষকে কাজের শক্তি যোগায়।</text><text start="279.96" dur="1.94">যেসব কোষের বেশি শক্তি দরকার পড়ে,</text><text start="281.9" dur="1.84">তাদের মাইটোকন্ড্রিয়াও বেশি থাকে।</text><text start="286.229" dur="3.371">এদিকে কোষটি একটা সাইটোস্কেলিটন দিয়ে নিজের আকৃতি বজায় রাখে।</text><text start="289.6" dur="1.8">এদিকে কোষটি একটা সাইটোস্কেলিটন দিয়ে নিজের আকৃতি বজায় রাখে।</text><text start="292.4" dur="3.3">সাইটোস্কেলিটনে আছে সুতার মতো মাইক্রোফিলামেন্ট,</text><text start="295.7" dur="1.76">যেগুলো প্রোটিন দিয়ে তৈরী।</text><text start="298.42" dur="4.02">আরো আছে চিকন খালি নলের মতো মাইক্রোটিউবিউলস,</text><text start="305.18" dur="1.24">উদ্ভিদের মতো কিছু ফটোঅটোট্রফিক অর্গানিজম,</text><text start="306.43" dur="4.03">উদ্ভিদের মতো কিছু ফটোঅটোট্রফিক অর্গানিজম,</text><text start="310.46" dur="2.48">মানে, যারা শক্তির জন্য সূর্যরশ্মি ধারণ করে,</text><text start="316.26" dur="3.08">তাদের কোষে আছে ক্লোরোপ্লাস্ট নামক অঙ্গাণু।</text><text start="320.08" dur="3.48">ক্লোরোপ্লাস্টই হলো সালোকসংশ্লেষণ ঘটার জায়গা।</text><text start="323.57" dur="3.24">এটা সবুজ, কারণ এতে আছে 
সবুজ রঞ্জক পদার্থ,</text><text start="326.81" dur="1.45">যার নাম ক্লোরোফিল।</text><text start="330.8" dur="4.03">উদ্ভিদকোষের কোষঝিল্লির বাইরে আছে কোষ প্রাচীর,</text><text start="334.83" dur="3.21">যা উদ্ভিদ কোষের আকৃতি বজায় রাখে, 
একে বহন করে এবং সুরক্ষা দেয়।</text><text start="339.26" dur="2.76">প্রাণীকোষের কোষ প্রাচীর নেই।</text><text start="343.8" dur="4">কিছু কোষের বেশ কিছু অনন্য কাঠামো আছে।</text><text start="348.53" dur="1.47">যেমন</text><text start="350.1" dur="5.9">যেমন মানুষের দেহের শ্বসনতন্ত্র,
সিলিয়া যুক্ত কোষ দ্বারা তৈরি।</text><text start="356.46" dur="2.98">এগুলো অতি ক্ষুদ্র, চুলের মতো উদগত অংশ</text><text start="359.44" dur="2.06">যেগুলো ঢেউয়ের মতো নড়তে পারে।</text><text start="361.88" dur="6.26">এই বৈশিষ্ট্যই শ্বাস নেবার সময় ঢুকে যাওয়া পদার্থগুলোকে আটকে ফেলে আর কাশির সময় সেগুলোকে বের করে দিতে সাহায্য করে।</text><text start="372.009" dur="3.691">কোষের আরেক ধরনের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো ফ্ল্যাজেলা।</text><text start="375.8" dur="2.249">কিছু ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে ফ্ল্যাজেলা আছে।</text><text start="378.049" dur="5.73">ফ্ল্যাজেলাম হলো ছোট্ট লেজের মতো যা কোন কোষকে
নিজে নিজেই নড়াচড়া করতে সাহায্য করে।</text><text start="384.56" dur="3.26">মানবদেহে একমাত্র শুক্রাণুর কোষেই মধ্যেই ফ্ল্যাজেলাম থাকে।</text><text start="387.82" dur="1.78">মানবদেহে একমাত্র শুক্রাণুর কোষেই মধ্যেই ফ্ল্যাজেলাম থাকে।</text><text start="391.549" dur="1.92">সংক্ষেপে মনে রাখতে হবে:</text><text start="394.34" dur="6.139">সুকেন্দ্রিক কোষ হলো একটি নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট 
প্রাণী এবং উদ্ভিদকোষ এবং পর্দা দিয়ে ঘেরা অঙ্গাণু।</text><text start="402.54" dur="5.28">এদিকে প্রাককেন্দ্রিক কোষ হলো এককোষী জীব,
যাদের এসব কিছুই থাকে না।</text><text start="409.7" dur="5.16">সকল কোষের মধ্যেই কোষ পর্দা, সাইটোপ্লাজম আর জিনগত উপাদান থাকে।</text><text start="416.799" dur="3.04">যদিও ক্লোরোপ্লাস্ট কেবল উদ্ভিদকোষে থাকে,</text><text start="419.839" dur="3.32">মাইটোকন্ড্রিয়া প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয় কোষেই পাওয়া যায়।</text></transcript>